“কোভিট-১৯ এর প্রভাবে চকরিয়ায় উন্নতমানের স্যানিটারী ব্যবসায়ীদের বেহাল দশা,নেই কোন সরকারি,বেসরকারী সহায়তা”

চকরিয়া প্রতিনিধিঃ-চকরিয়ার দুর্গম গ্রামীন এলাকায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরনে অবদান রাখা উন্নত প্রযুক্তির স্যানিটারী পণ্য উৎপাদনকারী কারখানার শ্রমিক,মালিক ও ব্যবসায়ীদের কোভিট-১৯ এর প্রভাবে তাদের ব্যবসা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।চকরিয়া উপজেলা স্যানিটেশন ব্যবসায়ী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জনাব সাইফুল ইসলাম জানান,গত এক বছরের বেশী সময় ধরে মহামারী করোনার প্রভাবে সরকারের নেয়া কঠোর লকডাউনের মাঝেও পর্যাপ্ত পণ্যের মজুদ রাখতে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করার শর্তেও আশানুরূপ পণ্য বিক্রয় না হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন উপজেলার ১০০ স্যানিটারী ব্যবসায়ী ও প্রায় ২০০ শ্রমিকের পরিবার।

মহামারী করোনার প্রভাবে সব এনজিও তাদের তাদের স্যানিটেশন কার্যক্রম বন্ধ করায় মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাড়িয়েছে ব্যবসা প্রতিষ্টান গুলো তায় তিনি অনুরোধ করছেন অন্তত এনজিও গুলো যদি পূর্বের ন্যায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেন তাহলে অন্তত ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও রক্ষা পেত সেই সাথে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধির হাত থেকে রক্ষা পেয়ে ১০০% স্যানিটেশনের আওতায় আসতো সমগ্র উপজেলা।চকরিয়ার ডুলহাজারার স্যানিটারী ব্যবসায়ী তোফায়েল আহমেদ ও ইলিশিয়া বাজারের স্যানিটারী ব্যবসায়ী মোঃ কায়চার জানান লকডাউনের আগে তিন লাখ টাকা এনজিও থেকে ব্যবসায়ীক ঋণ নিয়ে পর্যাপ্ত মালামাল তৈরী করে মজুদ করি কিন্তু বর্তমান বিক্রয়ের এমন বেহাল দশায় ঋণের কিস্তি পরিশোধ,শ্রমিকদের বেতন,দোকান ভাড়া,বিদুৎ বিলসহ যাবতীয় খরচ মিটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে,এমন অবস্থা চলতে থাকলে স্যানিটারী ব্যবসায়ীদের দেউলিয়া হওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।সংগঠনের সভাপতি জসিমউদদীন জানান সরকার প্রত্যেক পেশার লোকজনকে বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা করলেও কোন প্রকার সহায়তার আওতায় আসেনি সেবাদানকারী এই ব্যবসায়ীরা, কঠিন এই মুহুর্তে বিভিন্ন তথ্য ও পরামর্শ দিয়ে এখনো খোঁজখবর নিচ্ছেন কক্সবাজার জেলায় ২৬০০০ পরিবারকে উন্নত স্যানিটেশনের আওতায় নিয়ে আসা জিওবি-ইউনিসেফের অর্থায়নে আইডিই বাংলাদেশ এর পিএসএম প্রজেক্ট কঠিন এই মুহূর্তেও তারা সার্বক্ষণিক কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন,তাদের মতো যদি সব এনজিও কাজ করতো হয়তো ১০০% স্যানিটেশনের আওতায় আসতো কক্সবাজার জেলা।তিনি আশা করছেন এমতাবস্থায় সরকারের সহায়তাকারী সংস্থা যদি তাদের আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে না দেন হয়তো ধংশ হয়ে যেতে পারে এই সেবাদানকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো।যদি এই সেবামূলক ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে তাদের ব্যবসায় বন্ধ করে দেয় তাহলে পুরো উপজেলার সাধারণ মানুষের উন্নত স্যানিটারী ব্যবস্থার অবনতি ঘটবে ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্য পড়বে উপজেলার সর্ব স্তরের জনসাধারণ। পরিবেশ দুষণ বৃদ্ধি পাবে,অতিষ্ট হওয়ার আশংকায় জনজীবন।

Share your love