অসহায় সুফিয়া খাতুন (৬৫)”কে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নিলেন, প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রদান করলেন পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

“মো:: তারিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি  ::বাংলাদেশ পুলিশ পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকার সামাজিক, মানবিক ও উৎসাহমূলক কার্যক্রমে ভূমিকা রেখে চলেছেন। তারই অংশ হিসেবে , পুলিশ সুপার মোঃ জাহিদুল ইসলাম সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে একের পর এক গণমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করছেন।

প্রতিদিন পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গার কার্যালয়ে ব্যক্তিগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে হাজির হন নানা শ্রেনী পেশার বিভিন্ন বয়সী মানুষ। সুফিয়া খাতুন (৬৫), স্বামী-ওসমান, সাং-ফার্মপাড়া, থানা ও জেলা-চুয়াডাঙ্গা তাদেরই একজন। তিনি কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে আসেননি। দারিদ্রের কষাঘাতে জর্জরিত হয়ে তিনি একটুখানি আশা নিয়ে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার কাছে আসেন । পুলিশের মানবিকতাই তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয় পর্যন্ত টেনে নিয়ে এসেছে। প্রয়োজন কিছু ঔষুধের, চাহিদা খুবই কম। কিন্তু এই সল্প চাহিদা পূরণের ভরসাস্থল তার অজানা। অশ্রুসিক্ত দুটি নয়নে অসহায়ের মত পুলিশ সুপারের সামনে হাজির হলে মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম তাকে মায়ের সম্মানে কাছে টেনে নেন। অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শোনেন তার দুঃখের কথা। সুফিয়া খাতুন তার মনের কথা পুলিশ সুপারের কাছে বলতে পারায় তার দু”চোখ দিয়ে পরিতৃপ্তির অশ্রæ ঝরে পড়ে। মানবিক পুলিশ সুপার তাকে তাৎক্ষনিকভাবে সুফিয়া খাতুন কে প্রয়োজনীয় ঔষধ কিনে প্রদান করেন। তিনি আরো আশ্বস্ত করেন চুয়াডাঙ্গা বাসীর যেকোন প্রয়োজনে পুলিশ সুপারের দুয়ার ২৪ ঘন্টা খোলা আছে।
পুলিশ সুপার চুয়াডাঙ্গা বলেন, সমাজের সর্বস্তরের সামর্থবান মানুষ যদি অসহায় সুবিধা বঞ্চিতদের দিকে একটু সুদৃষ্টি দেয়, তাহলে আমাদের সমাজে সুবিধা বঞ্চিতদের মুখেও হাসি ফোঁটানো সম্ভব। এসময়ে তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সকল বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করেন।

Share your love