রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি সহমর্মিতা সন্মান প্রদর্শন এসব আওয়ামীলীগের ডিকশিনারিতে নেই- হাবিব উন নবী খান সোহেল।

বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আমরা চাই আমরা চেয়েছিলাম যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটা সুসম্পর্ক থাকুক নেতানেত্রীদের মধ্যে সহমর্মিতা থাকুক। সেই জায়গা থেকেই আমরা চেয়েছিলাম যেহেতু আমাদের নেত্রী আইনকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন উনি ন্যায় বিচার পাবেন। যদিও অন্যায়ভাবে তার উপর মামলাগুলো দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আওয়ামীলীগের ডিকশিনারিতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি সহমর্মিতা সন্মান প্রদর্শন এসব আওয়ামীলীগের ডিকশিনারিতে নেই। তারপরও ভেবেছিলাম তিনটি কারণে শেখ হাসিনা বেগম খালেদা জিয়াকে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করবেন যদি তিনি মানুষ হয়ে থাকেন যদি তার ভেতর মানবিক গুণাবলি থাকে নূন্যতম কৃতজ্ঞতা থাকে। তিনটি কারণ কি কি? বেগম খালেদা জিয়ার স্বামী মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। উনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন শেখ হাসিনা কোথায় ছিলেন? উনি ছিলেন উনার স্বামী ওয়াজেদ সাহেবের কিচেনে পিঁয়াজ মরিচ কাটতেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তাকে বিদেশ থেকে ডেকে এনে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। এরপর আসেন এরশাদ বিরোধী আন্দোলন তখন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে হ্যাঁ তখন ধরে নিলাম শেখ হাসিনারও নেতৃত্বে আন্দোলন চলছিলো হঠাৎ করে শেখ হাসিনা ওয়াজেদের শখ হলো উনি এরশাদ সাহেবের সাথে লং ড্রাইভে যাবেন এবং লং ড্রাইভে গেলেন। বেগম খালেদা জিয়া পরবর্তীতে আপোষহীনভাবে এই লড়াই টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন বলেই এরশাদ সাহেবের পতন হয়েছিলো। এবং তার ধারাবাহিকতায় হাসিনা পরে ২৩ বছর পর আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় আনতে পেরেছিলেন এবং উনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। সুতরাং তার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পেছনেও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান আছে। এরপর আসেন ১/১১ এর পর বেগম খালেদা জিয়াও গ্রেফতার শেখ হাসিনাও গ্রেফতার। হঠাৎ করে দেখলাম একদিন শেখ হাসিনা হাতে মেহেদী মেখে লাফাতে লাফাতে চলে গেলেন বিদেশে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া বললেন এদেশের জনগণকে অসহায় অবস্থায় রেখে বিদেশে যাবো না। বেগম খালেদা জিয়া আপোষহীন ছিলেন বলেই ফখরুদ্দিন মঈনউদ্দীন সাহেবকে চাট্টি বাট্টি গোল করে বিদেশ চলে যেতে হয়েছে। নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার সাজা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিন বিএনপির সভাপতি জননেতা জনাব হাবিব উন নবী খান সোহেল।

Share your love