চাকরির প্রলোভনে অসহায় নারীদের আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায় ছাত্রলীগনেতা ইব্রাহীম আজাদ

উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আজাদের যৌন লালসার শিকার হলেন চাকরি প্রত্যাশী অসংখ্য নারী। ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আজাদ নিজেকে ক্ষমতাধরনেতা পরিচয় দিয়ে অসহায় নারীদের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আবাসিক হোটেলে নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। এ ভূক্তভোগী নারীদের একটি অংশ আশ্রিত রোহিঙ্গা।

গণমাধ্যমকর্মী হাতে আসা অসংখ্য ছবিতে উদুম গায়ে ইব্রাহীম আজাদ একাধিক নারীকে জড়িযে থাকার দৃশ্য দেখা গেছে। শুধু তাই নয় ইব্রাহিম আজাদ রোহিঙ্গা মেয়েদের সাথে অন্তরঙ্গভাবে ভিডিও কলে কথা বলার ছবিও রয়েছে।

সুত্রে জানা যায়, ইব্রাহিম আজাদ নিজের দলীয় পদ ব্যবহার করে কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকার মেয়েকে রোহিঙ্গাক্যাম্পে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কক্সবাজার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষন করতেন। কেউ তার প্রতিবাদ করতে গেলে সে নিজের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন। কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের নেতা ইশতিয়াক আহমেদ জয় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজমুল আলম সিদ্দিকী ইব্রাহিম আজাদের কাছের মানুষ বলে এসব অপকর্ম করতে সে দিধা করতো না বলে মনে করছেন সাবেক ছাত্রলীগের নেতারা।

উখিয়া ছাত্রলীগের অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা জানেন না, ইব্রাহীম আজাদ ছাত্রলীগের মত একটি ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিভাবে হয়েছে। একনেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন অছাত্র ইব্রাহীম আজাদের যোগ্যতার সনদ নাকি ইশতিয়াক আহমদ জয়। ইশতিয়াক ভাই তা স্ট্যাটাস দিয়ে দেশবাসীকে জানিয়ে ছিলেন।

এদিকে চাকরি দেওয়ার নামে বিভিন্ন মেয়েকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে যাওয়া, শপিংমলে নিয়ে যাওয়া ও বিভিন্ন অন্তরঙ্গ ছবি নিয়ে উখিয়ার সর্বত্র চলছে গুণজন।

অভিযোক্ত উখিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আজাদ ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ছবি গুলো আমার নয়। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করার জন্য একটি মহল সড়যন্ত্র করছে।

এই বিষয়ে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগে সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান জানান, কোন ব্যাক্তির ব্যক্তিগত অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না। সংগঠনের কারো বিরুদ্ধে এ ধরণের কোন অভিযোগ আসলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, মাদক ও নারী ঘটিত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোন ব্যাক্তিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রশ্রয় দেয়না। সংগঠনের কারো বিরুদ্ধে সু-নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share your love