প্রতিবেশীর ফেলে রাখা জ্বলন্ত কয়লায় পুড়ে গেলো ৪ বছরের শিশুর পা।


মোঃতারিকুর রহমান, চুয়াডাংগা:চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে  প্রতিবেশীর ফেলে রাখা জ্বলন্ত কয়লার আগুনে অসাবধানতাবশত  ৪ বছরের এক শিশুর পা ঝলসে গেছে। 

জানা গেছে,  মঙ্গলবার দুপুরে জীবননগর পৌর ২ নং ওয়ার্ডের নারায়নপুর গ্রামের জাহিদুল ইসলামের চার বছরের শিশু কন্যা জান্নাতুল  বাড়ির আঙ্গিনায় খেলা খেলছিল। এসময় প্রতিবেশী রহমানের স্ত্রী ফতে খাতুন চুলার জ্বলন্ত কয়লার ছাই জাহিদুলের বাড়ির গেটের সামনে ফেলে রেখে চলে যায়। শিশু জান্নাতুল খেলার সময় সেই জ্বলন্ত কয়লায় পা দিলে তার ডান পায়ের উপরিভাগের অধিকাংশ অংশ পুড়ে যায়। শিশুটির চিৎকারে তার মা কবিতা খাতুন তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে। এবং এরকম ভাবে জ্বলন্ত কয়লা ফেলে রাখার কারনে প্রতিবেশী ফতেকে প্রতিবাদ করলে  ফতে খাতুন আরো শিশুটির মা কবিতার উপর চড়াও হয়।  এক পর্যায়ে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। সে সময় বিষয়টিকে মিমাংশা না করে ফতের পরিবারের অন্য সদস্যরাও ঝগড়া-বিবাদ শুরু করে। এক পর্যায়ে হামলার ভয়ে দ্বগ্ধ শিশু মেয়েটিকে নিয়ে কবিতা খাতুন ঘরে দরজা আটকে বসে থাকে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা জাহিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন আমার মেয়েটিকে হাসপাতালে নেওয়ার সুযোগ না করে দিয়ে  ঐসময় ফতে ও তার স্বামী আব্দুর রহমান, মহিদুলের স্ত্রী রেবেকা, রহমানের পিতা আবুল হোসেন রুনা পিতা রহমান, রুকু মুন্সির ছেলে  মানিক ও ছোটু আমার বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং হামলা চালায়। আমি এ বিষয়ে জীবননগর থানায় ন্যায্য বিচারের দাবীতে একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।  
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পৌর ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ সাইদুর রহমান এঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। এবং জানান  আমি এ ঘটনা জানার পরপরই ঘটনাস্থলে যাই সকলকে শান্ত করার জন্য। আমি জানতে পেরেছি বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি অভিযোগ হয়েছে।তবে আমরা স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি মিমাংশা করার আহবান জানিয়েছি উভয় পক্ষকে।
ঘটনার এ বিষয়ে  জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম  জানান বাদী অভিযোগের সত্যতা পেলে  তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Share your love