“করোনায় আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসায় নিয়োজিত হাসপাতালের কর্মীদের অবাধ চলাচল” আতংকিত জনসাধারণ।

সাইফুল ইসলাম, চকরিয়ার হারবাং ইউনিয়নে করোনা ভাইরাসে লক ডাউন করা বাড়ির লোকজন অবাধে চলাফেরা করার কারণে এলাকার জনমনে চাপা আতঙ্ক বিরাজ করতেছে।খবর নিয়ে জানা যায় গত দুই দিন আগে সাতকানিয়ায় করোনা আক্রান্তে যে রোগীটি মারা যায় সেই রোগীটি বেশ কয়েক দিন যাবত লোহাগাড়া সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।করোনায় আক্রান্ত  রোগী টি মারা যাওয়ার পর প্রশাসন কতৃক  হাসপাতালটি লকডাউন করা হয় এবং এই রোগীর সংস্পর্শে আসা ডাক্তার,নার্স,আয়া সহ সবাইকে প্রতিষ্ঠানিক লকডাউন থাকার নির্দেশ দিয়েছেন এবংপরে অত্র হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীদের আইসোলেশনে পাঠানো হয়।কিন্তু সেই হাসপাতাল থেকে আইসোলেশন না মেনে পালিয়ে আসেন তিন জন  কর্মচারী যাদের বাড়ি হারবাং ইউনিয়নের মল্লিক পাড়া ও শান্তিনগর গ্রামে পালিয়ে আসা তিন  কর্মচারীর নাম ১,শামিমা আক্তার শারমিন,পিতা: নাজিম উদ্দিন,পদবি :নার্স,শান্তিনগর ২,বাসন্তী মল্লিক,স্বামী: সঞ্জিত,পদবি: আয়া,মল্লিক পাড়া।৩,মাধুরী মল্লিক,পদবি আয়া,মল্লিক পাড়া তিনজনই  সিটি হাসপাতাল লোহাগাড়া,চট্টগ্রাম কর্মরত ছিলেন।তিন জনের বাড়িই হচ্ছে হারবাং ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের শান্তিনগর ও মল্লিক পাড়া এলাকায়।স্থানীয় অনেকেই নাম না প্রকাশ করার শর্তে বলেন যে কোনক্রমে পালিয়ে আসা এ তিন জন তথ্য গোপন রেখেছে এবং তারা রীতিমত অস্বীকার করে যাচ্ছে। তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে এ কারণে পুরো এলাকায় ছড়িয়ে যেতে পারে সংক্রামণ।আজ সকালে পুলিশ বাড়ি গুলো লকডাউন ঘোষণা করেন এবং পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দেন।

Share your love