বেনাপোল পৌর কমিউনিটি সেন্টার এখন কোয়ারান্টাইন সেন্টার!


আব্দুল্লাহ আল মামুন,(বেনাপোল) প্রতিনিধি:-
বেনাপোল বাংলাদেশের বৃহত্তর স্থলবন্দর কিন্তু একটি উন্নতমানের হাসপাতাল এখানে নাই। বেনাপোল পৌরসভায় ৫ বছর ধরে অনুমোদনহীন পড়ে রয়েছে ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতাল। 
আজ আমরা আন্দোলন করছি পৌর কমিউনিটি সেন্টার ও বাগে জান্নাত মাদ্রাসাসহ নির্ধারিত কিছু স্থানকে কোয়ারান্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু এই আন্দোলনটি আরো আগে হলে একটি উন্নতমানের হাসপাতাল নির্মান ও অবহেলিত ১০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটি এতদিনে আলোর মুখ দেখতো।
আজ একটি উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবার অভাববোধ করছেন বেনাপোলবাসী। লাখ লাখ শ্রমিকের বন্দর ও শত শত মানুষের ভারত-বাংলাদেশ যাওয়া আসার এই বেনাপোলে স্বাস্থ্য সেবার বড়ই অভাব।
তবে জনবহুল স্থানে কাউকে কোয়ারান্টাইন রাখাটা কতটা যুক্তিসঙ্গত আমার জানা নাই। 
আজ করোনা ভাইরাসের পরিব্যাপ্তি রোধে যশোরের জেলা প্রশাসক জনাব শফিউল আরিফ মহোদয় ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সেলিম রেজা, বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ও শার্শা উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব পুলক কুমার মন্ডল এর উপস্থিতিতে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  তারা এই যশোর জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা তাদের সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য ইতিবাচক হবে বলেই আস্থা রাখছি। 
তবে বিকল্প ব্যবস্থা যদি না থাকে আপনাদের সিদ্ধান্তের সাথে আমাদের একটি অনুরোধ সেনাবাহিনীকে এই কোয়ারান্টাইন পরিচালনার দ্বায়িত্বে নিযুক্ত করা যায় কিনা! আর যদি সম্ভব হয় ঘনবসতি এলাকা হতে দূরে অস্থায়ী কোন কোয়ারেন্টাইন নির্মান করা যায় কিনা। 
সর্বোপরি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট বেনাপোল বাসীর বিনীত অনুরোধ বেনাপোলবাসীকে একটি উন্নতমানের হাসপাতাল উপহার দিন। যেন হাসপাতালের বিকল্প আমাদের খুজঁতে না হয়।

Share your love