জীবননগরে কিস্তির টাকা পরিশোধে বিপাকে পরছে হতদরিদ্র মানুষ।


মোঃ তারিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশে বর্তমানে এক কঠিন দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সারাদেশে করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক দিনদিন ছড়িয়ে যাচ্ছে।বর্তমান নাজুক পরিস্থিতিতে প্রতি সপ্তাহ কিংবা প্রতিমাসে কিস্তির টাকা পরিশোধ কিভাবে করবে এ নিয়ে চিন্তিত রয়েছে অল্প আয়ের মানুষেরা।
 করনোভাইরাস পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার সকল উপজেলার মানুষের চলাচল আগের থেকে অনেক কমে এসেছে । যার ফলশ্রুতিতে সাধারণ মানুষের আয় নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। । ঠিক এমন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন , বেসরকারি এনজিও ও সমিতি থেকে নেয়া টাকার কিস্তি পরিশোধ নিয়ে বিপাকে পড়েছে ঋণগ্রহীতারা।
কয়টি বেসরকারি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়া  কিস্তি পরিশোধ নিয়ে একাধিক ঋণ গ্রহীতার মধ্যে কেউ ক্ষুদ্র চায়ের দোকানদার, আবার কেউবা সিএনজি অটোরিক্সা চালক কিংবা দিনমজুর।যার ফলে এসব হতদরিদ্র মানুষের সময় মতো কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে না পারায়, পড়তে হচ্ছে প্রতিদিন নানা বিরম্বনায়। দামুড়হুদার একজন সিএনজি চালক মোঃ আবুল হোসেন বলেন, ,করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে এখন আর আগের মতো মানুষের চলাচল না থাকায় আমরা যথেষ্ট পরিমাণ যাত্রী পাচ্ছিনা কিন্তু টাকা রোজগার হউক আর না হউক এমন এক দুঃসময়ে ঋণের কিস্তির টাকা সংগ্রহ করা আমাদের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।  কিস্তির টাকার জন্য এনজিও এর প্রতিনিধিরা  যথাসময়ে টাকা না দিলে তারা বাড়ি ছাড়ছে না যার ফলে সইতে হচ্ছে নানান ধরনের লাঞ্ছনা। এমন এক নাজুক পরিস্থিতি নিয়ে বিপাকে পরতে হচ্ছে আমাদের মতো খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষের।
চুয়াডাংগা বাজারে   আমিনুল নামে একজন ব্যক্তি তিনি চা বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি বলেন  আমি একটি এনজিও থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে একটি চায়ের দোকান দিয়েছিলাম। এই টাকার কিস্তি প্রতি সপ্তাহে ১২শত টাকা যোগাড় করতেই হয়। কিন্তুু করোনার ভাইরাস এর কারনে  মানুষের চলাচল কম থাকায় আমি আগের মত রোজগার করতে পারছি না। যার ফলশ্রুতিতে আমি কিস্তির টাকা পরিশোধে বিড়ম্বনায় পড়ছি।

Share your love