স্বামী লাফিয়ে,স্ত্রী মরলেন পুড়ে‌। উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক লাশ


নিজস্ব সংবাদদাতা:
বনানী এফআর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে মারা গেলেন এই দম্পতি। স্বামী মাকসুদ বিল্ডিং থেকে লাফ দিতে গিয়ে মারা যান নির্মমভাবে। আর রুমকি মারা যান আগুনে পুড়ে। বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন রুমকি-মাকসুদ দম্পতি। এদের মধ্যে রুমকি আক্তারের মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে মাকসুদুর রহমানের মরদেহ রয়েছে ইউনাইটেড হাসপাতালে।

আজ বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মাকসুদুরের খালাতো ভাই ইমতিয়াজ আহমেদ ঢামেক মর্গে এসে তার ভাবির লাশ শনাক্ত করেন।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, এই দম্পতির বিয়ে হয়েছে তিন বছর আগে। তাদের বাচ্চা নেই। রুমকির বাড়ি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার দিলকুড়ি গ্রামে। ঢাকার গেন্ডারিয়ায় তারা বসবাস করতেন। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই এফ আর টাওয়ারে অবস্থিত একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করতেন। তার পরিবারে মা আর ছোট বোন আছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টায় আগুন লাগে ২১ তলার এফ আর টাওয়ারে। ফায়ার সার্ভিসের ধারণা ৭ম অথবা ৮ম তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রেস ব্রিফিং-এ ফায়ার সা‌র্ভিসের উপ প‌রিচালক দিলীপ কুমার ঘোষ বলেন, নিহতের সংখ্যা ১৯ আর আহত ৭০।

Share On