ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়া সবকয়টি ছাত্র সংগঠনের প্যানেল নির্বাচন বর্জন।

সোমবার দুপুর ১টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে ডাকসু নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে ৪টি জোট। একইসঙ্গে তারা আগামীকাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জনের ডাক দেয়। পরে মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় ছাত্রদল।

ছাত্রলীগ ছাড়া ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেয়া সবকয়টি ছাত্র সংগঠনের প্যানেল নির্বাচন বর্জন করেছে। পরে এসব দাবি নিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন ভোট বর্জনকারীরা। ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে তারা ভিসির বাসভবনের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনের কোনও সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। প্রশাসন শুরু থেকেই ভোট কারচুপিতে যুক্ত হয়েছে। আমরা এ নির্বাচন বর্জন করছি। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিটন নন্দী হলে হলে ভোটগ্রহণের সময় বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরেন। কুয়েত-মৈত্রী হলে জালভোট মারা ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় তিনি নিন্দা জানান। লিটন নন্দী বলেন, আমরা এই প্রহসন ও জালিয়াতির নির্বাচন ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। পাশাপাশি নতুন নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

   

Share On
No Content Available