গায়ক আকবরকে ভারতে নেওয়া হচ্ছে

ডায়াবেটিস ও কিডনিরোগসহ বিভিন্ন জটিলতায় আক্রান্ত কণ্ঠশিল্পী আকবরকে ঈদের পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাসায় আসেন। এখন বাসাতেই অবস্থান করছেন এই কণ্ঠশিল্পী।

বুধবার সকালে আকবরের মেয়ে অথই ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আব্বু বাসায় আসার পর এখন একটু ভালো আছে।  অল্প অল্প খাচ্ছে,একটু একটু হাঁটা চলাও করছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা আব্বুকে বাসায় নিয়ে আসতে পেরেছি।আব্বুকে ইন্ডিয়া নিয়ে যাওয়ার সবকাজই প্রায় শেষ। ২১তারিখ অ‍্যাপোলো হসপিটালে আব্বুর ডাক্তারের অ‍্যাপয়নমেন্ট পাওয়া গেছে। আমরা ১৯ তারিখ আব্বুকে নিয়ে যাব। আল্লাহর কাছে সবসময় দোয়া করছি আল্লাহ্ যেন আব্বুকে পুরোপুরি সুস্থ করে দেয়। সবাই আব্বুর জন‍্য বেশি বেশি দোয়া করবেন।’

এ বিষয়ে আকবরের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ভারতে যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত। আমরা চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসা করাবো। সেখানে মূলত কিডনি, স্কিনের চিকিৎসা করানো হবে। হানিফ সংকেত স্যার, ডিপজল সাহেব আমাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন। এছাড়াও জায়েদ খান ভাই সব সময় খোঁজ নিচ্ছেন। আশা করি ভারতে নিতে কোনো সমস্যা হবে না এবং ভালোভাবেই চিকিৎসা হবে।’

যশোর শহরে রিকশা চালাতেন আকবর। খুলনার পাইকগাছায় জন্ম হলেও আকবরের বেড়ে ওঠা যশোরে। সেখানে টুকটাক গান করতেন। তবে গান নিয়ে ছোটবেলা থেকে হাতেখড়ি ছিল না। আকবরের ভরাট কণ্ঠের গানের কদর ছিল যশোর শহরে। সে কারণে স্টেজ শো হলে ডাক পেতেন। ২০০৩ সালে যশোর এম এম কলেজের একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন আকবর। বাগেরহাটের একজন আকবরের গান শুনে মুগ্ধ হন। তিনি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে চিঠি লেখেন আকবরকে নিয়ে। এরপর ‘ইত্যাদি’ কর্তৃপক্ষ আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ওই বছর ‘ইত্যাদিতে ‘একদিন পাখি উড়ে যাবে যে আকাশে’-কিশোর কুমারের এই গানটি গেয়ে রাতারাতি পরিচিতি পেয়ে যান আকবর।

পরিবার নিয়ে আকবর মিরপুর ১৩ নম্বরে থাকেন। তাঁর বড় মেয়ে আছিয়া আকবর অথই হারমান মেইনার স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। ছেলে কামরুল ইসলাম ও মহরম থাকে গ্রামের বাড়ি যশোরে।

Share On