ভাষা সৈনিকের সুচিকিৎসার জন্য অর্থ প্রদান করলো জাককানইবি শাখা ছাত্রলীগ

মো ফাহাদ বিন সাঈদ,
জাককানইবি প্রতিনিধিঃ

খন্দকার আব্দুল মালেক শহীদুল্লাহ; মহান ভাষা আন্দোলনের অগ্রসৈনিক ভাষা সৈনিক,মুক্তিযুদ্ধা, বৃহত্তর ময়মনসিংহের আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় হারান ছাত্রত্ব।দেশ স্বাধীনের পরে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

আজ এই ভাষা সৈনিক অসুস্থ হয়ে পড়ে আছেন মুক্তাগাছার বাড়িতে। স্ত্রী সুরাইয়া সুচিকিৎসার জন্য আর্থিকভাবে সাহায্য পেতে হাত বাড়িয়েছেন সকলের কাছে।

তারই ধারাবাহিকতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো রাকিবুল হাসান রাকিব এর নেতৃত্বে বিগত কয়েক দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মীরা। ক্লাসরুম,কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী, খেলার মাঠ সব জায়গায় গিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে। তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তাগন তাদের বেতন থেকে ৫০০ টাকা প্রদান করে। গত ২৫ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত টাকা টাকা সংগ্রহ করে।

ভাষা সৈনিক খোন্দকার আব্দুল মালেক শহীদুল্লাহর সুচিকিৎসার জন্য টাকা সংগ্রহ করে, এক লক্ষ পাঁচ হাজার চরশত আশি টাকা সংগ্রহ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
শাখা ছাত্রলীগ।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে উনার পরিবার বরবর টাকা হস্তান্তর করে। সে সময় উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড এএইচএম মোস্তাফিজুর রহমান,নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসিফ ইকবাল আরিফ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক,
ডাকসুর পরিবহণ সম্পাদক শামস ঈ নোমান,
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিবুল হাসান রাকিব রাকিব, শাহীন হোসাইন সাজ্জাদ, আপেল মাহমুদ (সহ-সভাপতি স্যার এ এফ রহমান হল ঢাবি)

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো রাকিবুল হাসান রাকিব বলেন, খোন্দকার আব্দুল মালেক শহীদুল্লাহ ছিলো এক সময়ের সাহসী সৈনিক। রাজপথ মুখর থাকতো যার স্লোগানে সেই মানুষটিই আজ বিছানায় বন্দি। ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নেয়ার অপরাধে ফেরারি আসামি হয়ে হারান ছাত্রত্ব। পরে সত্তরের নির্বাচনে অল্প বয়সে মুক্তাগাছা আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন তিনি।কয়েকমাস আগে স্ট্রোক করার পর তার ডান হাত ও পা অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে বেশ কষ্টে দিন কাটছে এ ভাষা সৈনিকের। তার এই দুঃসময়ে পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

Share On