অবহেলিত পেকুয়া উপজেলার ৫ নং মগনামা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড়ের রাস্তার বেহালদশা দেখার যেন কেউ নেই।

সাইফুল ইসলাম (চকরিয়া-পেকুয়া) প্রতিনিধিঃ
দেশে চলছে উন্নয়ন আর উন্নয়ন মগনামা ইউনিয়নে চলছে সরকারের মহা প্রকল্প নৌঘাঁটি নির্মাণের কাজ
ইউনিয়নে অন্য সব ওয়ার্ডে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও ভূতুড়ে কারণে যেন কারো নজরেই পড়ছেনা কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে ৫ নং ওয়ার্ড়ে।
রাস্তাঘাট, কালভার্ট সহ যাবতীয় কোন কর্মকান্ডে উন্নয়নের ছোয়া লাগে নেই বলে ব্যাপক অভিযোগ অত্র এলাকাবাসীর।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিগত জোট সরকারের অামল থেকে এই ওয়ার্ড়ে কোন ধরনের রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়নি শুধু মাত্র রাজনৈতিক হিংসা প্রতিহিংসার কারণে,জনপ্রতিনিধিদের অসহযোগীতায় রাস্তাঘাট এখন যে বেহালদশা পেকুয়া উপজেলায় আর কোন ওয়ার্ড় বা ইউনিয়নের এই ধরণের জনদূর্ভোগপূর্ণ রাস্তা  নেই বললে চলে।
অতচ এই ওয়ার্ডের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বৃষ্টির সময় রাস্তা দিয়ে হাটতে গিয়ে অনেক সময় পা পিছলে পড়ে গিয়ে বই খাতা নষ্ট হয়ে আহত হয়ে যায়।এই ওয়ার্ড়ের মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তাটিই যেন পেকুয়া উপজেলা সহ চট্রগ্রাম, কক্সবাজারের সবচেয়ে অকেজো রাস্তা যা দিয়ে গাড়ি,রিক্সাতো দূরের কথা ২কিলোমিটারের এই রাস্তায় স্বাভাবিক মানুষের চলাচল করতে হিমসিম খেতে হয়।এই বর্ষা মৌসুমে অনেকেই এই রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে আহত হয়েছেন বলে এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ।বৃষ্টি হলেই বাজার,স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় যাওয়ার কোন সুযোগ নেই এই ওয়ার্ডের মানুষের। প্রাকৃতিক দূর্যোগে উপকূল ঘেঁষা এই ওয়ার্ডের মানুষের হাহাকার যেন কারো কানে পৌঁছায় না। নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়াও অনেকটা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়।তাড়াহুড়ো করে চলাচল করলেই যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে এই রাস্তায়।
অপরদিকে ৫ নং ওয়ার্ডে রাজামিয়া ও নুরুল হকের বাড়ির সড়কে খালের উপর নির্মিত ব্রিজের ও বেহাল দশা। ব্রিজ আছে কিন্তু রাস্তার সাথে সংযোগ নেই বলে মানুষ চলাচল করছে শাকো ব্যবহার করে।
মগনামা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মগনামা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মোঃআলমগীর হোসনের এর বাড়ির পশ্চিশ পাশে  কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে এলাকাবাসী ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে যাতায়াত করছে। এলাকাবাসী জানায় এই বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি হলেই আমাদেরকে অনেক দুর হয় মগঘোনা পুরাতন জামে মসজিদ পার্শ্বে রাস্তা ব্যবহার করতে হয় ।
মগঘোনা জামে মসজিদের সড়কে কিছু রাস্তায় ইট থাকলে ও এই সড়ক দিয়ে যেখানে মহুরীপাড়া সংযোগ সড়কে দুই চেইন মতো ইট নাই অথচ এই সড়কগুলো দিয়ে প্রতিদিন মগঘোনা দদরীঘোনা গ্রামের জনসাধারণ হাটবাজারে যাতায়াত করে হাজারো লোক,এই সড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল তো দুরের কথা মানুষ খালি পায়ে হাটতে পারে না ।
৫নং ওয়ার্ড এলাকাবাসী জানায়, স্থানীয় চেয়ারম্যানের দেখা আমরা না পেলে ও স্থানীয় মেম্বারগন এই সড়ক দিয়ে নিয়মিত চলাচল করে।
কিন্তু কেন যে তাদের নজর এদিকে পড়ে না এটা আমাদের জানা নেই ।
অপরদিকে এই ওয়ার্ড়ের প্রধান সড়ক যেটা কে মগনামা হাইস্কুল সড়ক বলা হয় এই সড়কটির আরো লাজুক অবস্থা নিজের চোখে না দেখলে বুঝতে পারা যাবে না সড়কটি কতো যে অবহেলিত, বিগত আওয়ামী-লীগ সরকারের আমলে  সড়কটির কয়েকবার জরিপ করে গেছেন কিসের জন্য কার ইশারায় বারবার সড়কটির উন্নয়নের হচ্ছে না। একটু বৃষ্টি হলে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায় স্থানীয়দের অভিযোগ রাজনীতি প্রতিহিংসা ।
এখানে পেকুয়া উপজেলায় মগনামা ইউনিয়েন যত চেয়ারম্যান বিগত ২০ বছর তারা বিএনপি /জামাত থেকে নির্বাচিত হয়ে এসেছে তাই তাদের কু-নজরের কারনে অত্র ওয়ার্ড় টি আওয়ামী-লীগের দূর্গ হিসাবে পরিচিত হওয়ার কারনে এত অবহেলিত।
স্থানীয় বাসিন্দা যারা আওয়ামী-লীগ করে তারা আক্ষেপ করে বলে বর্তমান আওয়ামী-লীগ সরকার সারাদেশে রাস্তাঘাট এত উন্নয়নে জয়জয় কার তারপরে ও আমরা অবহেলিত কেন।আওয়ামী-লীগ দল তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসেছে কয়েকজন জেলা পর্যায়ে নেতার জন্মস্থান মগনামা ইউনিয়নে অত্র ওয়ার্ড়ের মহুরীপাড়া তারপরে ও কেন রাস্তাঘাট এই অবস্থা।
 এই এলাকার প্রায় কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী এই সড়কগুলো পার হয়ে স্থানীয় মধ্য মগনামা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়, মগনামা শাহ রশিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, মগনামা জাগরন শিক্ষা নিকেতন যেতে হয়,একটু বৃষ্টি হলেই অভিভাবকগন তাদের ছেলে মেয়েকে পড়তে স্কুল মাদ্রাসায় পাঠাতে চান না।
সরকারের ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে অত্র ওয়ার্ড়ের বাসিন্দারা দাবী, অত্র এলাকার কোমলমতি শিশুদের পড়ালেখা সহ এলাকার যাবতীয় সকল সমস্যা সমাধানে নির্মূলে এগিয়ে আসবে এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর ।
Share On