প্রিয় চট্টগ্রাম

“লবনের নায্য মূল্য পাচ্ছেনা কক্সবাজার জেলার লবন চাষীরা”

সাইফুল ইসলাম, গত দু বছর যারা লবন চাষ করেছিল তারা এখনো তা বিক্রয় করতে পারেনি একমাত্র নায্য দাম না পাওয়ার কারনে।যার জন্য এই মৌসুমে অনেক লবন চাষী লবন চাষ বন্ধ করে দিয়েছেন।অনেক লবন চাষীরা এখন অন্য কাজের সন্ধানে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে যা পরবর্তীতে লবন শিল্পের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।যেখানে বাজারে লবনের কেজি ৩৫/৫০টাকা সেখানে চাষীরা প্রতি মণ (চল্লিশ) কেজির মূল্য পাচ্ছে ১২০টাকা পরিবহন ও লেবার খরচ বাদ দিলে গড়ে প্রতি মণ (চল্লিশ)কেজির মূল্য পায় ১১০/১০০টাকা মাত্র আর প্রতি মণ(চল্লিশ)কেজির উৎপাদনের মূল্য গড়ে ৩৫০টাকার উপরে পড়ে।লোকসান দিতে দিতে অনেক চাষী পথে বসে গেছে ধারদেনার কারনে নিঃশ হয়ে এলাকা ছাড়তে হতে বাধ্য হয়েছেন অনেকেই। চাষিরা নায্য দাম পাচ্ছেনা অন্যদিকে ভূক্তারা নাগালের বাইরে দাম শুনে হতাশ হচ্ছেন মধ্য অতি মুনাফা অর্জন করছেন মধ্যস্থতাকারী(দালাল) ও লবন মিল মালিকরা।লবন চাষে বিজ্ঞ জনাব জহিরুল ইসলাম বলেছেন আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি লবন চাষীদের নায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারি ভাবে সঠিক মনিটরিং করে লবন শিল্প রক্ষা করা দরকার। সরকার এই শিল্প বাঁচাতে পদেক্ষেপ না নিলে  একদিন হয়তো লবন শিল্প ধংস হয়ে যাবে,নির্ভর হতে হবে বিদেশের প্রতি এবং ভোগতে হবে সাধারণ মানুষদের। বর্তমানে লবন চাষীদের প্রচুর লবন মজুদ রয়েছে উপযুক্ত দাম না থাকায় বিক্রি করতে পারছেনা কৃষকেরা। এদিকে মজুরদের বেতন বকেয়া পরিশোধে ধারদেনা করে সুদের কবলে পড়তে হচ্ছে অনেক চাষিকে।পেকুয়ার লবন ব্যবসায়ী নূর মোহাম্মদ জানান সরকারের উচিৎ লবন শিল্পকে রক্ষা করা দেশীয় শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা যা দিয়ে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চত করা যায় তা যেন ধংস না হয়।চাষিরা জানায় লবনের নায্য দাম নিশ্চত করে লবন চাষীদের উৎসাহ প্রদান করা তার সাথে লবন চাষে বিরাজমান দালাল পদ্ধতি(স্থানীয় ভাষায়) বন্ধ করা।চাষি রবিউল হুসাইন জানান   কক্সবাজারের প্রান্তিক লবন চাষীদের নায্যমূল্যে সরকার কতৃক লবন ক্রয় করা হচ্ছে না কেন?আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহোদয় চকরিয়ায় কথা দিয়েছেন কেন তিনি সেই কথার মান রাখতেছেনা?কক্সবাজারের লবন চাষীদের দুঃখ দুর্দশা কোনোভাবেই কি কমানো সম্ভব নয়?এভাবে লবনের দাম কমতে থাকলে একদিন দেশের একমাত্র লবন শিল্প শেষ হয়ে বেকার হবে লক্ষ মানুষ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button