যুবশক্তির ভূমিকা রাজনীতিতেও বলছি একজন যুবনেতা হুমায়ুনের কথা।

গিয়াস উদ্দিন টিটু,

চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার মোগলটুলীস্থ  গরীবুল্লাহ মাতাব্বর বাড়ীতে বেড়ে ওঠা ডানপিঠে ছেলে মোঃ হুমায়ুন রশিদ, ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবাদী,রাজনৈনতিক প্রতিভা,দেশপ্রেম ইত্যাদি ভাল গুণ তার কাছে ছিল, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগএর রাজনীতিকে ভালবেসে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে বিভিন্ন মিছিল,মিটিং, আন্দোলনে জীবন বাজি রেখে সামনের সারিতে থেকে দুঃসাহসের পরিচয় দিত এই যুবক হুমায়ুন।
   ৯০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে দিনরাত অংশগ্রহন করে রাজপথের সংগ্রামে নিজেকে একজন প্রকৃত সৈনিকে হিসেবে প্রমাণ করে হুমায়ুন। এব্যপারে হুমায়ুন বলে ৯০ দশকের শুরুতেই স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে মিছিলে অংশ গ্রহনের মধ্যেই আমার প্রতিবাদের যাত্রা। সেই যে যাত্রা আমার বা আমাদের শুরু হয়েছিল দীর্ঘ তিন দশক মাঠে ময়দানে ঘাতপ্রতিঘাত,হামলা মামলা, জেলজুলুম, নির্যাতন সহ্য করে জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান বজ্রকন্ঠে গেয়ে রাজপথে আজও পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা,প্রধানমন্ত্রী  জননেত্রী শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বের সুশীতল ছায়াতলে নৌকার যাত্রী হয়ে উন্নয়নের মহাসড়কে পথিকবেশে ৭ই মার্চের  ঐতিহাসিক ভাষনের শক্তি চেতনায় উজ্জীবিত করে ইনশাহআল্লাহ্ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ২৮ নং পাঠানটুলী ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সেবায় নিয়োজিত আছি, মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করি আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মত একজন সুদক্ষ প্রধানমন্ত্রী আমাদের জনজীবনে উন্নয় সাফল্যের, আশা আকাঙ্ক্ষার,মানবতার শেষ আস্থা, তাঁকে যেন দীর্ঘ হায়াত দান করেন, তাঁহার মাধ্যমে এ দেশের নিরীহ জনতার সূখশান্তি যেন চিরদিন বজায় থাকে।
হুমায়ুন আরো বলে ১৯৮৯ ইং,সনে এদেশের বেশীর ভাগ শিক্ষাঙ্গন যখন পাকিস্থানীদের প্রেতাত্মা জামায়াত শিবির খুনসন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রজপথের লড়াকু সৈনিকদের নাম তথা আওয়ামীলীগ,ছাত্রলীগ, যুবলীগের নাম মুছে ফেলার জন্য তাদের হীন উদ্দেশ্য, অপপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সবখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আক্রমন করছিল তখন আমি বা আমরা ঘরে বসে থাকতে পারিনি বুকে জ্বালা, রক্তে আগুন, জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান ধ্বনি মুখে উচ্চারিত করে বেরিয়ে পড়লাম দুষ্টু হায়েনার দোষরদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজ ও তার আশপাশের এলাকায় প্রতিনিয়ত খুন, সন্ত্রাস,বেমাবাজি,দখলবাজিতে উন্মাদ ছিল জামায়াত শিবির ক্যাডাররা,জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ক্ষতবিক্ষতএর বেদনা নিয়ে জামায়াত শিবিরমুক্ত করেছি  যে কমার্স কলেজ, আগ্রাবাদ, আশপাশের এলাকাকে  শিবিরের দখলদারিত্বে  অবরুদ্ধ পুরোমোগলটুলীসহ চট্টগ্রাম সরকারী কমার্স কলেজাঙ্গনকে আমরা কিশোর বন্ধুরা সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে,  তবে শোকের এক একটি পাহাড় বুকে নিয়ে, প্রিয়জন হারিয়ে যেমন ছাত্ররাজনীতির পথিকৃৎ, আমাদের অগ্রজ ছাত্রনেতা আবদুল কুদ্দুস ভাইসহ অনেককে,
শহীদ ছাত্রনেতা আবদুল কুদ্দুস সম্পর্কে বলতে গিয় হুমায়ুনের চোখেমূখে হারানোর শোকের ছাপ পরিলক্ষিত হয়, সে বলে পবিত্র মাহে রমজানের মাস, তারাবি নামাজের সময়, তারাবী পড়তে মোগলটুলীর দিকে আসছিল কুদ্দুস ভাই কিন্তু দুঃখের বিষয় খুনী জানায়াত শিবির চক্র পথিমধ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে গুলি করে শহীদ করেন,
 হুমায়ুন বলে শহীদ আবদুল কুদ্দুস ভাইয়ের রক্ত বৃথা যায়নি, এ দেশের মাটিতে আজকে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকার বঙবন্ধু্ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার, বিচার হচ্ছে , বিচার হবে ইনশাহআল্লাহ্ খুনীদের। ৯০ পরবর্তী  তৎকালীন বি,এন,পি জামায়াত সমর্থিত খালেদা জিয়ার সরকার এ দেশে সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে, অপশক্তির মাধ্যমে খুন সন্ত্রাস, মামলা হামলা দিয়ে,পুলিশি হামলায়  ঘরে থাকতে দেয় নাই আওয়ামী পরিবার তথা ছাত্রলীগ,যুবলীগ,আওয়ামীলীগএর নেতাকর্মীদেরকে , আমরাও অপশক্তির কাছে মাথা নত করিনি, তাদের অন্যায় আঘাতে নিজের অঙ্গহানির যন্ত্রণা সহ্য করেও সংগ্রাম করে হঠিয়েছি বোমা বাজ, পেট্রোলবোমার, গ্রেনেডের আবিষ্কারক জামায়াত বি,এন,পি কে। এটাই মনের শান্তি, এটাই পরম পাওয়া আজকে আমদের মত হুমায়ুনদের। 
আসন্ন জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী সম্পর্কে হুমায়ুন বলে, ইতিহাস কথা বলে, যদি বঙ্গবন্ধু না হতো এ দেশ, এ জাতি পরাধীনতার শিকল থেকে মুক্তি পেতোনা, বঙ্গবন্ধু নিজের জীবনের মায়া না করে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছেন,নেতৃত্ব দিয়েছিন, আজকে বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের নাম লিখিয়েছেন,একটি স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছেন,তাই যতোদিন বাঁচবো, দেহে একবিন্দু রক্তফোটা থাকা পর্যন্ত গেয়ে যাবো জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতার নাম।আজকে আমরা মহা আনন্দিত যে বাংলাদেশে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠবাঙ্গালী, জাতির গর্বিত সন্তান, স্বাধীনতার স্থপতি,মুুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  জন্মশতবার্ষিকী বিশ্বকে জানান দিয়ে অনাড়ম্বর আয়োজনে ক্ষণ গননার মধ্যদিয়ে মুজিব বর্ষ পালন করা হবে।   

Share On