“বন্ধ হচ্ছে না চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর অবৈধ বালি উত্তলন ফলে হাজার হাজার পরিবার রয়েছে নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে।

সাইফুল ইসলাম চকরিয়া প্রতিনিধিঃ চকরিয়ায় বিভিন্ন স্থানে মাতামুহুরি নদীর তীব্র ভাঙনে শত শত ঘর-বাড়ি, ফসলি জমি, গাছপালা বিলীন হয়ে যাচ্ছে।ভিটেমাটি হারিয়ে পরিবারগুলোকে খোলা আকাশের নিচে বসবাসের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।সামনে আসছে বর্ষাকাল ভয়ানক পানির স্রুতে বিলীন হওয়ার আশংকায় ফসলি জমি। কতিপয় কুচক্রীমহল অবাধেঅবৈধভাবে ট্রেজার মেশিন দিয়ে দিনে রাতে উত্তলন করছে বালি। যার কারনে নদীতে সৃষ্টি হচ্ছে বিরাট গর্ত যা নদীর পানির প্রাকৃতিক গতি পথে বাঁধা হয়ে পাড়ের দিকে বাকঁ নেয় ফলে বিলিন হচ্ছে নদীর পাড় ও আশে পাশের বসত ভূমিসহ গাছ পালা।গত এক বছরে মাতামুহুরি নদীর চোরাবালিতে আটকে প্রান গেল পাচঁ ছাত্র সহ দশজনের যার একমাত্র কারন হলো অপরিকল্পিত বালি উত্তলন।সামনে বর্ষা মৌসুমে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদীর প্রলয়ঙ্কারী ভাঙন শুরু হওয়ার আশংকায় রয়েছেন এলাকার লোকজন। চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী,কাকারা,বাটাখালী সূরাজপূর মানিকপুর লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ও চকরিয়া পৌরসভায় নদীর তীরে অবস্থিত গ্রামগুলোতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপক ভাঙন শুরু হওয়ার আশংকায় রয়েছে।প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মাতামুহুরি নদীর দুই পাড়ে অবস্থিত ১২টি গ্রামে একযোগে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ভাঙ্গনকবলিত এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের দাবী বর্ষার আগে নদীর পাড়ে বেড়িবাঁধ নির্মানের উদ্যোগ গ্রহন ও অবৈধভাবে বালি উত্তলনকারী সিন্ডিকেট দমন করে নদীর প্রাকৃতিক গতিপথে বাধাদান কারীদের বিরোদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করে নদী পাড়ের মানুষকে রক্ষা করা।
মাতামুহুরি নদীর ভাঙন রোধে জরুরি কোনো পদক্ষেপ না নিলে অদূর ভবিষ্যতে চকরিয়া উপজেলার পৌরসভা সহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সহ সরকারের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদ নদীগর্ভে বিলীনের আশঙ্কা রয়েছে।চকরিয়া পেকুয়ার মাননীয় সংসদ জাফর আলম এমপি ও চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদি ও প্রশাসনের দিখে তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার হাজারো পরিবার।

Share On