সাইফুল রাজুর একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীতে ব্যাপক সাড়া

ডেস্ক রিপোর্ট ● তরুণ আলোকচিত্রী সাইফুল রাজুর ২ দিন ব্যাপী একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি’ শিরোনামে প্রদর্শনীটির আয়োজন করা হয়। প্রদর্শনী প্রথম দিন ১৪ মার্চ রবিবার ও দ্বিতীয় দিন সোমবার শত শত দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে প্রদর্শনীটি। রবিবার প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান। এসময় অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল, ধ্রুব মিউজিক স্টেশনে চেয়ারম্যান ধ্রুব গুহ, ভাইয়া গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন মামুন, বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক অ্যাসোসিয়শেনের সাবেক সভাপতি আককাস মাহমুদ, বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক গোলকিপার বিপ্লব ভট্টাচার্য, ডিএমপি অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) ইফতেখায়রুল ইসলাম পিপিএম, মাহী বিজনেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান আবু হাসান মোল্লা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সবুজ মিয়া, রেডিও স্বদেশের চেয়ারম্যান সাইমুর রহমান। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল প্রদর্শনীটি।

১৫ মার্চ সোমবার বিকালে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ডাকসুর জিএস গোলাম রাব্বানী, এফবিসিআই এর পরিচালক খায়রুল হুদা চপল, দৈনিক ভোরের ডাকের সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ডাঃ রাজীব কুমার সাহা,আওয়ামী লীগ উপকমিটির সদস্য রানা চৌধুরী, বিশিষ্ট কবি ও লেখক দারা মাহমুদ,, ঢাকা মহানগর উত্তর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১ এর সাধারণ সম্পাদক ড.মোঃ আব্দুল মতিন, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ উল্লাহ পলাশ, ছাত্রলীগ নেতা রবিন কান্তি মজুমদার, লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খান, সঙ্গীত শিল্পী নার্গিস এ খানম সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। পরে একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীটি সফল ভাবে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়। প্রদর্শনীতে স্থান পায় দেশের বিভিন্ন জেলার ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান, হতদরিদ্র পথশিশু ও বিভিন্ন শিল্পের শ্রমিকদের যাপিত জীবন, গ্রাম-বাংলার জনজীবন, অপার সৌন্দর্যের হাতছানি ফুল, পাখিসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নানা চিত্র। এ আয়োজন প্রসঙ্গে তরুণ আলোকচিত্রী সাইফুল রাজু বলেন, ‘একটা সময় সখের বশে ছবি তুলতাম। আর এখন ছবি তোলা আমার নেশা। বলতে গেলে বর্ষপঞ্জিকায় এমন কোনো দিন নেই, যেদিন আমার ক্যামেরার সাটার ক্লিক হয় না। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ছবি তোলার চেয়ে অবহেলিত ও হতদরিদ্র মানুষের দুঃখগাঁথা জীবনের ছবি তোলাকেই আমি প্রাধান্য দেই। পাশাপাশি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে ক্যামেরাবন্দী করতেও কালক্ষেপণ করি না। ছবির খোঁজে আমি ছুটে বেড়াই যত্রতত্র। যাবতীয় বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে বাবার আশির্বাদ সাথে নিয়ে আমার এ পর্যন্ত আসা। আমি আমার ক্ষুদ্রতম সাফল্যের সবটুকু বাবাকে উৎসর্গ করছি। সবসময় চেষ্টা করছি শুভাকাঙ্খীদেরকে ভালো কিছু উপহার দিতে। সাইফুল রাজু বলেন, ২০১৭ সালের বইমেলায় ‘স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি’ শিরোনামে আমি আলোকচিত্রের একটি এ্যালবাম প্রকাশ করেছি এবং ২০১৯ সালে ‘স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি-২’ শিরোনামে একক আলোকচিত্র প্রদর্শন করি। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ২য় বারের মত ‘বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি’ শিরোনামে একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করি। দর্শনার্থীদের ব্যপক সাড়া পেয়েছি। এ আয়োজন সফল ভাবে সম্পন্ন করতে পেরে সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

Share On
No Content Available