মধুখালী পৌরসভা আছে “কিন্তুু নাগরীকরা কোন সুবিধা পাচ্ছে না।

শরিফুল হাসান, ফরিদপুর:
ফরিদপুর জেলার অর্ন্তগত মধুখালী পৌরসভা ১১ই অক্টোবর ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । ৯ টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ে পৌরসভা টি গঠন করা হয় । পৌর ভবনটি মধুখালী ইউনিয়ন পরিষদ সময় করা হয় নতুন পৌরসভার হওয়ার পর কোন ভবন নির্মাণ হয়নি তাই ইউনিয়ন পরিষদের ভবনটি পৌর ভবন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। মধুখালী থানার প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত । পৌরসভার সর্ব দক্ষিণে মেছরদিয়া মৌজা, উত্তরে ফরিদপুর চিনিকল এলাকা, পশ্চিমে চন্দনা নদী অবস্থিত । মোট জনসংখ্যা প্রায় ৩৫ হাজারের মত তবে ভোটার সংখ্যা ২২থেকে ২৫ হাজার হবে

এর আয়তন ১২.০০ বর্গ কিলোমিটার । পৌরসভার মূল লক্ষ্য হচ্ছে নাগরিকদের আধুনিক নগর জীবন প্রদান করা,কিন্তু তার কোনো সুফল পাচ্ছে না মধুখালী পৌরবাসী। জনতার ন্যায্য অধিকার না, পেয়ে ক্ষুব্ধ মধুখালী পৌরসাসী পৌরসভার টি (গ)থেকে (খ) গ্রডে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও পৌরসভা কি সেবা একদম নিম্নমানের। এখন পর্যন্ত পৌরসভায় পানি সাপ্লাই এর কোন ব্যবস্থা অথবা উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। নৈশ্যকালীন ল্যাম্পপোস্ট সমস্ত পৌরসভায় নেই, পানি নিষ্কাশন করার জন্য তেমন উল্লেখযোগ্য কোন ড্রেন, যথা স্থানে নেই। পৌরসভার মূল বাজার মধুখালী বাজার নামে পরিচিত সেখানে আবর্জনা রাখার কোন ডাসবিন নেই নেই পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা।কোন টয়লেটের কোন ব্যবস্থা নেই হাজার হাজার বৃদ্ধ নারী আবাল বনিতা নানা বিপদে পড়ে এ বাজারে এসে। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মী নেই পৌর এলাকার নেই ফায়ার সা‌র্ভি‌স ব্যবহার করবে এমন পানি উত্তোলন করার মতো কোনো ব্যবস্থা,পৌরসভার মধ্যে পুকুর গুলোর মশা উৎপাদনে ভান্ডার হয়ে আছে । যে পুকুর গুলো নোংরা আবর্জনা ফেলার ডাস্টবিন হিসেবে ব্যবহার করা হয়।পৌর মেয়র কাছে কৃষক ও সাধারণ মানুষ কোন সুবিধা পাচ্ছে না যাদের বয়স্ক ভাতা বিধবা ভাতা প্রতিবন্ধী ভাতা পাওয়ার যোগ্য তারা পাচ্ছে না, কিন্তু ওইসব ভাতা দেয়া হচ্ছে বিত্তবান লোকদের মাঝে পৌরসভার মধ্যে যে ভ্যাট গুলো নেওয়া হয় আগে ছিল ৫০ টাকা, এখন ১২৫০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে, নাগরিক সনদ নিতে গেলে ১০০টাকা দিতে হয়, ট্রেড লাইসেন্স ৫৫০টাকা থেকে ১৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে, পৌরসভা এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে নাগরিকদের নগর জীবন দেওয়া কিন্তু তারা কিছুই পাচ্ছেনা। এনিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ পৌরবাসী।

Share On