হেমায়েতপুর জন-জীবনের আতঙ্কের নাম জালালাবাদ মেটাল লিঃ

ফরহাদ হোসেন তালুকদার, ঢাকাঃ-সাভেরের হেমায়েতপুরের একটি গন বসতি এলাকা। হেমায়েতপুর, চান্দুলিয়া,যাদুরচর, জয়নাবাড়ী বলিয়রপুর ও আলম নগর আবাসিক এলাকা প্রায় ৫ লক্ষ্য মানুষের বসবাস। সেখানেই গড়ে উঠেছে জালালাবাদ মেটাল লিঃ তথা টিন তৈরির কারখানা। যেখান থেকে নির্গত হচ্ছে প্রচুর পরিমানে কার্বন ডাই-অক্সাইড যা মানুষের শ্বাস-কষ্ট সহ দুরারোগ্যব্যাধি কারণ। এছাড়াও বিষাক্ত শীসা ও প্রচন্ড তাপ নির্গত  হয় যা বাতাসের সাথে যুক্ত হয়ে শ্বাস প্রশ্বাস এর মাধ্যমে মানব দেহের প্রবেশ করে। যা মানব দেহের জন্য অত্যান্ত ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে। অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এলাকাবাসী তাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম ও তাদের নিজেদের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন কর্ম সুচি গ্রহণ করে। ২০১৮ সালে হেমায়েতপুর, যাদুরচর,জয়নাবাড়ি বলিয়ারপু, আলম নগর আবাসিক এলাকা ও আমিন মোহাম্মদ আবাসিক এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ও ভিবিন্ন স্তরের নেতা কর্মীরা মানব বন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেন। এবং ১/২/২০১৮ ইং তারিখে এলাকা বাসির পক্ষ থেকে  শ্রী মরন মন্ডল জি.ডি নং-৩৫, মোঃ তারা মিয়া জি.ডি নং- ৩৭, হাজ্বী মোঃ নিজাম মিয়া জি.ডি নং- ৩৮ হাজ্বী মোঃ আক্কাস মিয়া  জি.ডি নং- ৩৯, হাজ্বী মোঃ গফুর মিয়া জি.ডি নং-৪২, মোঃ সিরাজ মিয়া জি.ডি নং- ৪৪ সহ আরো অনেকে সাভার থানা সাধারন ডাইরি করেন। সূএঃ ৩/০২/২০১৮ ইং দৈনিক সমকাল, দৈনিক কালের কন্ঠে, দৈনিক জনকন্ঠ, দৈনিক ইত্তেফাক সহ জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও  প্রশাসন এ ব্যাপারে কোন ব্যাবস্থ গ্রহণ করেনি। এর আগে ০৩/১১/২০১৭ সালে মিনহাজ উদ্দিন সরদার সহ এলাকার গন্য মান্যরা  পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ করার কারনে জালালাবাদ মেটাল লিঃ এর মালিক এর পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী লোকেরা তাদের মারধর ও জীবন নাশের হুমকি দেয়।এবং তাদের এই গন দাবিকে উপেক্ষা করে পরিবেশ অধিদপ্তর জালালাবাদ মেটাল লিঃ কে আবস্থান গত ছাড়পত্র  যার স্মারক নং- ৩০.২৬.৭২.৩.৯৮০.২৯১২১৫/ছাড় ৭৫ প্রদান করে এবং আই.এ.ই স্নারক নং- ৩০.২৬.৭২.৯৮০.২৯১২১৫/প্রশা-২১২৮ প্রতিবেদন প্রকাশ করে যা এলাকা বাসীকে হতাশ করে।আঃ মান্নান (মুন্নি) সহ-সভাপতি ঢাকা জেলা ও সভাপতি সাভার উপজেলা আওয়ামী মুক্তিযোদ্বালীগ  তিনি জানান আমরা কয়েক দফা চেষ্টা করেছি কিন্তু প্রশাসন আমাদের ঢাকে সাড় দেয় নি। তিনি আরও জানান ঢাকা ডিটেইলস এরিয়া প্লানে (ড্যাপে) উক্ত বিলামালিয়া মৌজাস্থ আর.এস দাগে আবাসিক এলাকা হিসেবে উল্লেখ আছে এবং দাগে জমির পরিমাণ ৬০ শতক আথচ জালালাবাদ প্রতারণা করো ১৫০০ শতাংশ জমি উপর কারখানা নির্মাণ করতে চলছে। স্থানীয় যুবলীগ নেতা হারুন রশীদ জানান দেলোয়ার সাহেব কারো তোয়াক্কা করেন না,২০১১ সালে রাজউক থেকে কাজ  তাদেরকে নির্মাণ  কাজ বন্ধ করা নির্দেশ দেন সূএঃ- রাজউক /পঃ/৫.৫৯৭/২০১১/৮৫ কিন্তু তারা এই আদেশ না মেনে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ২৫-০৮-২০১৯ ইং তারিখে এক সচেতন ছাএ উপ-পরিচালক, ঢাকা জেলা বরাবর লিখত অভিযোগ করলে তার সন্ত্রাসীরা তার উপর হামলা করে  এবং তাকে তদন্তের সময় আটকে রাখে। ১৯-১২-২০১৯ ইং  এ.এম.ইন্টারনেশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এর অধ্যক্ষ্য সহ এলাকার বিভিন্ন স্তরের মানুষ পুনরায় সরকারের ভিবিন্ন দফতরে লিখত জানান। এলাকাবাসী বলেন আমাদের জীবনের সাথে তামাশা করা হচ্ছে। তরা খুব দ্রুত এই মেটাল কারখানা নির্মাণ কাজ বন্ধ সহ স্থান পরিবর্ত এর ব্যাবস্থ নিতে বলেন এবং গণমাধ্যম কর্মীদের সাধারণ জনগনের পক্ষে থেকে কাজ করার জন্যা অনুরোধের করেন 

Share On