বিনোদন

আমার স্বামীর সঙ্গে নওশীনের সম্পর্ক ছিল।মিলা

বুধবারের সংবাদ সম্মেলনে নওশীনের সঙ্গে গত জুনে মোবাইল ফোনে বিবাদের একটি রেকর্ড শোনান মিলা। তখনও ডিভোর্স হয়নি বলে জানান তিনি। রেকর্ডে শোনা যায়, বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে পরিচয় থাকার কথা স্বীকার করেছেননওশীন। এছাড়া শোনা গেছে, পারভেজ সানজারির সঙ্গে অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছবি তোলা নিয়ে নওশীনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন মিলা।
মিলার অভিযোগ, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে নওশীনের সম্পর্ক ছিল। তাদের ঘনিষ্ঠ ছবি হাতে পেয়ে নওশীনের স্বামী হিল্লোলকে জানানোর পরও কোনও সুরাহা হয়নি। উল্টো সাইবার ক্রাইমে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তারা। পরে সাইবার ক্রাইম বিভাগ থেকে আমাকে বলা হয়, এসব নিয়ে প্রকাশ্যে কথা না বলাই ভালো। আমার প্রশ্ন হলো, নওশীন শোবিজের মেয়ে হয়ে শোবিজেরই আরেকজনের স্বামীকে নিয়ে এমন করলো, আমরা শোবিজের মেয়েরা তাহলে কোথায় যাবো?’
সংবাদকর্মীদের সামনে সাবেক স্বামী বৈমানিক পারভেজ সানজারি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন মিলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনি এর বিচার চেয়েছেন।
মিলা বলেন, ‘আমাকে প্রায়ই তারা (সাবেক স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা) বাসা থেকে বের করে দিতো।’ এই কথা বলার পরই অঝোরে কাঁদতে শুরু করেন মিলা। কিছুক্ষণ পর জনপ্রিয় এই গায়িকা বলেন, ‌‘দুই বছর অপেক্ষা করেছি। ভেবেছি এর প্রতিকার পাবো। তাই প্রধানমন্ত্রীর শরণাপন্ন হইনি। কিন্তু  আর পারছি না। তাই আমাকে যে অমানুষিক নির্যাতন করা হলো, প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার বিচার চাই। শুধু শিল্পী নয়, ২০১১ সাল থেকে আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য। একজন কর্মী হিসেবেও এ দাবি আমার।’

২০১৭ সালের মে মাসে পারিবারিকভাবে বৈমানিক পারভেজ সানজারির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মিলা ইসলাম। বিয়ের পর গানে হয়ে পড়েন অনিয়মিত। জড়িয়ে যান সংসার জীবনের দ্বন্দ্ব-বিবাদে। নারী নির্যাতন-যৌতুকের অভিযোগে এনে স্বামী সানজারির বিরুদ্ধে মামলাও করেন তিনি। সবশেষে সংসার জীবনের ইতি টানেন পপ গানের এই শিল্পী।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close