ক্রীড়াঙ্গন

ভারতের বিপক্ষে ‘প্রথম’ জয়

গত কয়েক বছরে ক্রিকেট দুনিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অন্যতম বড় নাম হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। এই দুই দল মুখোমুখি হওয়া মানেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে শেষ মুহূর্তে গিয়ে হতাশ দলের নামের জায়গায় অধিকাংশ সময়ই থেকে যাচ্ছিল বাংলাদেশের নাম। বিশেষ করে টি-টুয়েন্টিতে। এবার সেই ধারা ভেঙেছে।

সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল দলে নেই। তবে প্রথম ম্যাচে অন্তত তাদের অভাব টের পেতে দিলেন না বাংলাদেশের অন্য খেলোয়াড়রা। ব্যাটিং-বোলিং ও ফিল্ডিং, সব বিভাগেই প্রত্যেকে নিজের সেরাটা উপহার দিয়ে বাংলাদেশকে টি-টুয়েন্টিতে দারুণ জয় এনে দিলেন।

মারকাটারি টি-টুয়েন্টির আমলে ১৪৯ রান আহামরি কোনো টার্গেট নয়। তবে দিল্লি স্টেডিয়ামে সময়ের সঙ্গে বল স্লো হয়ের আশার সঙ্গে শিশির ভেজা মাঠের হিসাবও রাখতে হয়েছে। জয়ের জন্য শুরুটা যেমন হওয়া দরকার ইনিংসের দ্বিতীয় বলে চার হাকিয়ে তেমনটাই করেছিলেন লিটন দাস।

মুশফিক-সৌম্যর ধীর ব্যাটিংয়ের ফাঁক দিয়ে ব্যবধান বেড়ে যায় বল-রানের। এর মধ্যে অবশ্য সহজ ক্যাচ ছেড়ে মুশফিকে ‘জীবন’ দেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। শেষ ১৮ বলে বাংলাদেশের দরকার হয় ৩৭ রানে। ১৮তম ওভারে ১৫ নিয়ে আশা জাগান মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ। শেষ ১২ বলে দরকার ২২ রান। ১৯তম ওভারের চারটি চার সহ ১৮ রান নেন মুশফিক। শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ৬ বলে ৪ রান। তিন বল হাতে রেখে ১৫৪ রান করে বাংলাদেশ।

৪৩ বলে আট চার ও এক ছক্কায় ৬০ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। ৭ বলে সমান এক চার ও এক ছয়ে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। দুদলের মধ্যকার দ্বিতীয় ম্যাচ ৭ নভেম্বর, রাজকোটে।

দিল্লিতে রোহিত শর্মার দলকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মাহমুদউল্লাহ বাহিনী। অপরাজিত ৬০ রান করেন মুশফিকুর রহিম জয় তুলেই মাঠ ছেড়েছেন। ভারতের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টিতে এটি প্রথম জয় টাইগারদের। 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close