ক্রীড়াঙ্গন

কমতেও পারে সাকিবের শাস্তি!

সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞার কেটে গেছে দুই দিন। এরই মধ্যে ভারতে সফরে চলে গেছে দল। স্তব্ধ বিসিবি বা ক্রীড়াঙ্গন থাকলেও থেমে নেই তার ভক্তরা। চালিয়ে যাচ্ছেন সাকিবের জন্য আন্দোলন। কিন্তু এর কিছুই হয়তো সাকিবের শাস্তি কমাতে পারবে না। কারণ শাস্তিটা যেহেতু আইসিসি ও সাকিবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ভিত্তিতে হয়েছে, আইসিসির দুর্নীতি দমন নীতি অনুযায়ী এর বিরুদ্ধে সাকিব বা বিসিবি কেউই আপিল করতে পারবে না। কিন্তু তারপরও রয়ে যায় ক্ষীণ একটি আশা।

তবে আইসিসির শর্ত অনুযায়ী দুর্নীতি দমন কার্যক্রমগুলোতে নিয়মিত অংশ নিয়ে সাকিব আইসিসিকে সন্তুষ্ট করতে পারলে শাস্তির মেয়াদ কিছুটা কমলেও কমতে পারে। এমন উদাহরণ অতীতেও আছে। পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার মোহাম্মদ আমিরের ক্ষেত্রেই সেটি হয়েছে। ২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন আমির, সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফ। তবে শাস্তির মেয়াদ কমায় নির্ধারিত সময়ের ছয় মাস আগেই আমির ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরতে পেরেছিলেন।

সাকিবের ক্ষেত্রেও সে রকম কিছুর আশা করাই যায়। বিশেষ করে তিনি যেহেতু শুরুতেই ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন এবং তদন্তেও আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। সাকিবের ভুলের মাত্রাও আমির-বাটদের তুলনায় অনেক গৌন। এখন আইসিসির শর্ত অনুযায়ী দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমগুলো ঠিকঠাকভাবে করলে বিসিবির জন্য সুযোগ তৈরি হতে পারে বিষয়টি নিয়ে আইসিসিতে দেনদরবার করার।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন চৌধুরীও কাল সে রকম আভাস দিলেন, এ রকম উদাহরণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আছে। আমরাও দেখব সাকিবের জন্য কী করা যায়। বিসিবির পক্ষ থেকে যা যা সম্ভব, সবই করা হবে। এ রকম কোনো সুযোগ থাকলে অবশ্যই আমরা সেভাবে কাজ করব। সাকিব যেমন আইসিসির হয়ে দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণায় অংশ নেবেন, একইভাবে বিসিবিও তাকে বিভিন্নভাবে এসব কাজের সুযোগ তৈরি করে দেবে।

দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলেও একবছর মওকুফ করে এক বছরের জন্য খেলা বন্ধ রাখা হয়েছে। ২০২০ সালের ৩০ অক্টোবর থেকে সাকিবকে খেলার মাঠে পাওয়া যাবে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close