Uncategorized

অসামাজিক কাজে হোটেল গুলোতে বেশি বিবাহিত নারীরা

কথায় বলে মদ নারী তাশ এই তিনেই সর্বনাশ। আর এই সর্বনাশা খেলার রমরমা মেলা এখন রাজধানী ঢাকার বেশ কিছু আবাসিক হোটেল। সকাল ১১টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত রাজধানীর গুলিস্তান, সদরঘাট, নবাবপুর, ফকিরাপুল, মিরপুর, উত্তরা, আগারগাঁও,কারওয়ান বাজার, মহাখালী ও মগবাজার এলাকার কিছু কিছু আবাসকি হোটেল ঘুরে দেখা যায় দেহ ব্যবসার রমরমা চিত্র, হোটেলের প্রবেশ পথে টুলে বসে দু’জন হোটেল কর্মচারী ইশারায় ই্ংগিতে ডাকে আবাসিক হোটেল কর্মচারীরা । হোটেলে অবস্থানকারী উঠতি বয়সের বিপদঘামী মেয়ে ও বিবাহিত ভাবিরা স্বামীকে ফাঁকি দিয়ে তাদের চাকরী কর্মব্যস্ততার সুযোগে অথবা সন্তানকে স্কুলে রেখে সুযোগে তারা নিজেকে অন্ধকার জগতে পা বাড়াতে দ্বিধাবোধ করেনা, বাড়তি আয়ের লোভে  আবাসিক হোটেলে দিনের বেলা ভীড় জমাচ্ছে সবচেয়ে বেশী বিবাহিত নারীরা জানান একাদিক হোটেল কর্মচারিরা । আবার স্বামীর অজান্তে জৈালুষ জীবন যাপনের শেষ পরিনতি তালাক ও পারিবারিক হানাহানী , তাদের খদ্দের জোগাতে সর্বক্ষণিক ব্যস্ত ঢাকার আবাসিক হোটেলগুলোর কর্মচারিরা ।

স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসনের সামনেই এইসব চললেও প্রশাসন কিছু করছে না। মাঝে মধ্যে লোক দেখানো দু’একটি অভিযান চালায় উচ্ছেদ করার জন্য মূলত অভিযান চালায় না।
রেশমা (ছদ্মনাম) এক যৌনকর্মী জানায়, আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার ও বয়-বেয়ারারা একজন খদ্দেরের কাজ থেকে যে টাকা নেয় তার ৫০ ভাগ তাদের দেয়। বাকি টাকা হোটেল রুম ভাড়া ও তারা ভাগ করে নেয়। অনেক পেশাদার যৌনকর্মী অবশ্য নিজেরাই কার্ড বিলি করে। এসব কার্ডে সাধারণত মধ্যস্থতাকারীর মোবাইল নম্বর থাকে। পার্ক, ওভারব্রিজ এলাকায় তাদের তৎপরতা বেশি।

বলাবাহুল্য, এমতাবস্থায় পতিতাবৃত্তি বন্ধকল্পে তাদের পুনর্বাসনের বিকল্প নেই। এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বড় ধরনের সামাজিক অবক্ষয়ের মুখে পড়তে হতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close